• Categories
    • Quran - Tafseer (তাফসীর)
      • সূরা 1- 36
        • ১। আল- ফাতিহা (সূচনা)
        • ২। আল-বাকারা (বকনা-বাছুর)
        • ৩। আল-ইমরান (ইমরানের পরিবার)
        • ৪। নিসা (নারী)
        • ৫। আল-মায়িদাহ (খাদ্য পরিবেশিত টেবিল)
        • ৬। আল-আনাম (গৃহপালিত পশু)
        • ৭। আল-আরাফ (উচু স্থানসমূহ)
        • ৮। আল-আনফাল (যুদ্ধে-লব্ধ ধনসম্পদ)
        • ৯। আত-তাওবাহ (অনুশোচনা)
        • ১০। ইউনুস (একজন নবী)
        • ১১। হুদ (একজন নবী)
        • ১২। ইউসুফ (একজন নবী
        • ১৩। আর-রাদ (বজ্রনাদ)
        • ১৪। ইবরাহীম (একজন নবী)
        • ১৫। আল-হিজর (পাথুরে পাহাড়)
        • ১৬। আন-নাহল (মৌমাছি)
        • ১৭। বনি ইসরাইল (ইহুদী জাতি)
        • ১৮। আল-কাহফ (গুহা)
        • ১৯। মারিয়াম (নবী ঈসা(আঃ) এর মা)
        • ২০। ত্বা হা (ত্বা হা)
        • ২১। আল-আম্বিয়া (নবীগণ)
        • ২২। আল-হাজ্ব (হজ্ব)
        • ২৩। আল-মুমিনুন (মুমিনগণ)
        • ২৪। আন-নূর (আলো)
        • ২৫। আল-ফুরকান (সত্য মিথ্যার পার্থক্য নির্ধারণকারী গ্রম্থ)
        • ২৬। আশ-শুআরা (কবিগণ)
        • ২৭। আন-নমল (পিপীলিকা)
        • ২৮। আল-কাসাস (কাহিনী)
        • ২৮। আল-কাসাস (কাহিনী)
        • ২৯। আল-আনকাবুত (মাকড়সা)
        • ৩০। আল-রুম (রোমান জাতি)
        • ৩১। লুকমান (একজন জ্ঞানী ব্যাক্তি)
        • ৩২। আস-সাজদাহ (সিজদা)
        • ৩৩। আল-আহযাব (জোট)
        • ৩৪। আস-সাবা (রানী সাবা/শেবা)
        • ৩৫। আল-ফাতির (আদি স্রষ্টা)
        • ৩৬। ইয়া সিন (ইয়াসিন)
      • সূরা 37- 77
        • ৩৭। আস-সাফফাত (সারিবদ্ধভাবে দাড়ানো)
        • ৩৮। সোয়াদ (আরবি বর্ণ)
        • ৩৯। আয-যুমার (দল-বদ্ধ জনতা)
        • ৪০। আল-মুমিন (বিশ্বাসী)
        • ৪১। হামিম সাজদাহ (সুস্পষ্ট বিবরণ)
        • ৪২। আশ-শূরা (পরামর্শ)
        • ৪৩। আয-যুখরুফ (সোনাদানা)
        • ৪৪। আদ-দুখান (ধোয়া , smoke)
        • ৪৫। আল-জাসিয়াহ (নতজানু)
        • ৪৬। আল-আহকাফ (বালুর পাহাড়)
        • ৪৭। মুহাম্মদ [নবী মুহাম্মদ স:]
        • ৪৮। আল-ফাতহ (বিজয়)
        • ৪৯। আল-হুজুরাত (বাসগৃহসমুহ)
        • ৫০। ক্বাফ (আরবি বর্ণ)
        • ৫১। আয-যারিয়াত (বিক্ষেপকারী বাতাস)
        • ৫২। আত-তুর (একটি পাহাড়ের নাম)
        • ৫৩। আন-নাজম (তারা
        • ৫৪। আল-ক্বমর (চন্দ্র)
        • ৫৫। আর-রাহমান (পরম করুণাময়)
        • ৫৬। আল-ওয়াকিয়াহ (নিশ্চিত ঘটনা)
        • ৫৭। আল-হাদিদ (লোহা)
        • ৫৮। আল-মুজাদিলাহ (অনুযোগকারিণী)
        • ৫৯। আল-হাশর (সমাবেশ)
        • ৬০। আল-মুমতাহানা (নারী যাকে পরিক্ষা করা হবে)
        • ৬১। আস-সাফ (সারবন্দী সৈন্যদল)
        • ৬২। আল-জুমুআহ (সম্মেলন/শুক্রবার)
        • ৬৩। আল-মুনাফিকুন (কপট বিশ্বাসীগণ)
        • ৬৪। আত-তাগাবুন (মোহ অপসারণ)
        • ৬৫। আত-ত্বালাক (তালাক)
        • ৬৬। আত-তাহরীম (নিষিদ্ধকরণ)
        • ৬৭। আল-মুলক (সার্বভৌম কতৃত্ব)
        • ৬৮। আল-ক্বলম (কলম)
        • ৬৯। আল-হাক্ক্বাহ (নিশ্চিত সত্য)
        • ৭০। আল-মাআরিজ (উন্নয়নের সোপান)
        • ৭১। নূহ (একজন নবী)
        • ৭২। আল-জ্বিন (জ্বিন সম্প্রদায়)
        • ৭৩। মুযাম্মিল (বস্ত্রাচ্ছাদনকারী)
        • ৭৪। মুদাসসির (পোশাক পরিহিত)
        • ৭৫। আল-কিয়ামাহ (পুনরু্ত্তান)
        • ৭৬। আল-ইনসান (মানুষ)
        • ৭৭। আল-মুরসালাত (প্রেরিত পুরুষগণ)
      • আমপারা 78 - 114
        • ৭৮। আন-নাবা (মহাসংবাদ)
        • ৭৯। আন-নাযিয়াত (প্রচেষ্টাকারী)
        • ৮০। আবাসা (তিনি ভ্রুকুটি করলেন)
        • ৮১। আত-তাকবির (অন্ধকারাচ্ছন্ন)
        • ৮২। আল-ইনফিতার (বিদীর্ণ করা)
        • ৮৩। আত-তাতফিক (প্রতারণা করা)
        • ৮৪। আল-ইনশিকাক (খন্ড-বিখন্ড করণ)
        • ৮৫। আল-বুরুজ (নক্ষত্রপুন্জ)
        • ৮৬।আত-তারিক (রাতের আগন্তুক)
        • ৮৭। আল-আলা (সর্বোন্নত)
        • ৮৮। আল-গাশিয়াহ (বিহ্বলকর ঘটনা)
        • ৮৯। আল-ফজর (ভোরবেলা)
        • ৯০। আল-বালাদ (নগর)
        • ৯১। আশ-শামস (সূর্য)
        • ৯২। আল-লাইল (রাত্রি)
        • ৯৩। আদ-দুহা (পূর্বান্হের সুর্যকিরণ)
        • ৯৪। আল-ইনশিরাহ (প্রশস্তকরণ)
        • ৯৫। আত-তীন (ডুমুর)
        • ৯৬। আল-আলাক (রক্তপিন্ড)
        • ৯৭। আল-ক্বাদর (মহিমান্বিত)
        • ৯৮। আল-বাইয়িনাহ (সুস্পষ্ট প্রমাণ)
        • ৯৯। আল-যিলযাল (ভূমিকম্প)
        • ১০০। আল-আদিয়াত (অভিযানকারী)
        • ১০১। আল-কারিয়াহ (মহাসংকট)
        • ১০২। আত-তাকাছুর (প্রাচুর্যের প্রতিযোগিতা)
        • ১০৩। আল-আসর (সময়)
        • ১০৪। আল-হুমাযাহ (পরনিন্দাকারী)
        • ১০৫। ফীল (হাতি)
        • ১০৬। আল-কুরাইশ (কুরাইশ গোত্র)
        • ১০৭। আল-মাউন (সাহায্য-সহায়তা)
        • ১০৮। আল-কাওসার (প্রাচুর্য)
        • ১০৯। আল-কাফিরুন (অবিশ্বাসী গোষ্ঠী)
        • ১১০। আন-নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)
        • ১১০। আন-নাসর (স্বর্গীয় সাহায্য)
        • ১১১। লাহাব (জ্বলন্ত অংগার)
        • ১১২। আল-ইখলাস (একত্ব)
        • ১১৩। আল-ফালাক (নিশিভোর)
        • ১১৪। আন-নাস (মানবজাতি)
    • Spirituality ( আধ্যাত্মিকতা )
    • Hadith (হাদিস)
      • 1. সহীহ আল বুখারী
      • 2. সহীহ মুসলিম
      • 3. দাউদ শরীফ
        • আবু দাউদ
        • সুনানে আবু দাউদ
      • 4. সুনানে তিরমিযী
      • 5. সুনান আল-নাসাঈ
      • 6. ইবনে মাজাহ
      • 7. মুওয়াত্তা ইমাম মালিক রহ:
      • 8. সুনান আল দারিমি
      • 9. মুসনাদে আহমদ ইবনে হাম্বল
      • 10. সহীহ ইবনে খুযায়মাহ
      • 11. Sahih ibn Hibban (সহীহ ইবনে হিব্বান)
      • 12. Al-Mustadrak alaa al-Sahihain (আল-মুসতাদরাক আলা আল-সহীহাইন)
      • 13.
      • 14.
      • 15.
    • Aqeedah (আক্বীদা)
    • Biography (জীবনী)
      • Biography of prophet (নবীর জীবনী)
      • সাহাবীদের জীবনী
      • ইমামদের জীবনী
    • Fiqh (ইসলামিক আইন)
    • ইসলাম এবং বিজ্ঞান
    • রমজান, হজ ও যাকাত
  • অধ্যায় (current)
  • Events (current)
  • Total: $ 0

    Your cart is empty

    Go to cart
  • Login
  • Sign Up

৯৪। আল-ইনশিরাহ (প্রশস্তকরণ)

Image Description
Created by
Madani
Last updated
30 November -0001

আপনি যা শিখতে যাচ্ছেন

সূরা আশ-শারহ, "দ্য ওপেনিং আপ" বা "প্রসারণ" নামেও পরিচিত, কষ্ট এবং কষ্টের মুহুর্তে নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে গভীর আধ্যাত্মিক অন্তর্দৃষ্টি এবং উৎসাহ প্রদান করে। সূরা আশ-শার থেকে সংশ্লিষ্ট আয়াত সংখ্যা সহ আমরা যে মূল বিষয়গুলি শিখতে পারি তা এখানে রয়েছে:



1. ঐশ্বরিক সান্ত্বনা এবং আশ্বাস: সূরাটি নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে আল্লাহর আশ্বাস ও সান্ত্বনা দিয়ে শুরু হয়েছে, যা তাকে কঠিন সময়ের পরে স্বস্তি ও স্বস্তির নিশ্চয়তা দেয়।

   - আয়াত 1-3: "আমরা কি আপনার জন্য আপনার স্তন প্রসারিত করিনি? এবং আমরা আপনার উপর থেকে আপনার বোঝা সরিয়ে দিয়েছি। যা আপনার পিঠে ভারাক্রান্ত ছিল?"



2. কষ্ট থেকে মুক্তি: সূরা আশ-শারে জোর দেওয়া হয়েছে যে প্রতিটি কষ্টের পরে স্বস্তি আসে, জীবনের চ্যালেঞ্জ এবং আশীর্বাদের চক্রাকার প্রকৃতিকে তুলে ধরে।

   - আয়াত 5-6: "প্রকৃতপক্ষে, কষ্টের সাথে [স্বস্তি] হবে। প্রকৃতপক্ষে, কষ্টের সাথে [স্বস্তি হবে]।"



3. ধৈর্য এবং আল্লাহর উপর আস্থা: সূরাটি ধৈর্য, ​​অধ্যবসায় এবং প্রতিকূল সময়ে আল্লাহর প্রজ্ঞা ও আদেশের উপর আস্থা রাখতে উৎসাহিত করে।

   - আয়াত 7-8: "সুতরাং যখন আপনি [আপনার দায়িত্ব] শেষ করবেন, তারপর [ইবাদতের জন্য] দাঁড়ান। এবং আপনার প্রভুর দিকে [আপনার] আকাঙ্ক্ষা প্রত্যক্ষ করুন।"



4. প্রার্থনা এবং ভক্তি: সূরা আশ-শারে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা এবং ভক্তির গুরুত্বের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে প্রতিদ্বন্দ্বিতার সময়ে, তাঁর নির্দেশনা ও সাহায্য চাওয়ার উপায় হিসাবে।

   - আয়াত 7-8: "সুতরাং যখন আপনি [আপনার দায়িত্ব] শেষ করবেন, তারপর [ইবাদতের জন্য] দাঁড়ান। এবং আপনার প্রভুর দিকে [আপনার] আকাঙ্ক্ষা প্রত্যক্ষ করুন।"



5. কৃতজ্ঞতা এবং প্রতিফলন: সূরাটি বিশ্বাসীদেরকে আল্লাহর আশীর্বাদের প্রতি চিন্তা করতে এবং তাঁর ক্রমাগত যত্ন ও নির্দেশনাকে স্বীকার করে তাঁর করুণা ও সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে প্ররোচিত করে।

   - আয়াত 7-8: "সুতরাং যখন আপনি [আপনার দায়িত্ব] শেষ করবেন, তারপর [ইবাদতের জন্য] দাঁড়ান। এবং আপনার প্রভুর দিকে [আপনার] আকাঙ্ক্ষা প্রত্যক্ষ করুন।"



সূরা আশ-শারহ পরীক্ষা এবং ক্লেশের মুখোমুখি বিশ্বাসীদের জন্য সান্ত্বনা, উত্সাহ এবং আধ্যাত্মিক উন্নতির উত্স হিসাবে কাজ করে। এটি তাদের কষ্টের ক্ষণস্থায়ী প্রকৃতি এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে স্বস্তি ও স্বাচ্ছন্দ্যের প্রতিশ্রুতি স্মরণ করিয়ে দেয়। উপরন্তু, এটি ধৈর্য, ​​প্রার্থনা এবং কৃতজ্ঞতার গুরুত্বকে বিশ্বাস এবং স্থিতিস্থাপকতার অপরিহার্য উপাদান হিসেবে তুলে ধরে।


Submit Your Thoughts

Bardhman, West Bengal

demo@gmail.com

Events

  • Event List
  • About Us

অধ্যায়

  • Popular অধ্যায়
  • Free অধ্যায়

Faculty

  • Faculty List
  • Sign Up
© দ্বীনের আলো 2024
  • About Us
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions