সূরা আদ-দুহা, "দ্য ফরেনুন" বা "মর্নিং ব্রাইটনেস" নামেও পরিচিত, গভীর আধ্যাত্মিক পাঠ এবং সান্ত্বনা প্রদান করে, বিশেষ করে কষ্টের সময় নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে সম্বোধন করে। সূরা আদ-দুহা থেকে সংশ্লিষ্ট আয়াত সংখ্যা সহ আমরা মূল বিষয়গুলি শিখতে পারি:
1. ঐশ্বরিক সান্ত্বনা এবং আশ্বাস: সূরাটি নবী মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতি আল্লাহর আশ্বাস দিয়ে শুরু হয়, দুর্দশা ও অনিশ্চয়তার সময়ে তাঁর যত্ন ও সমর্থন প্রকাশ করে।
- আয়াত 1-3: "সকালের উজ্জ্বলতার শপথ। এবং [শপথ] রাতের যখন এটি অন্ধকারে ঢেকে যায়, আপনার পালনকর্তা [হে মুহাম্মাদ] আপনার কাছ থেকে বিদায় নেননি এবং তিনি [আপনাকে] ঘৃণা করেননি।"
2. অতীত এবং ভবিষ্যতের আশীর্বাদ: সূরা আদ-দুহা নবী মুহাম্মদ (সা.)-কে আল্লাহ কর্তৃক প্রদত্ত অতীত আশীর্বাদের কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং ভবিষ্যতের পুরস্কার ও আশীর্বাদের নিশ্চয়তা দেয়।
- আয়াত 4-5: "এবং পরকাল আপনার জন্য প্রথম [জীবনের] চেয়ে উত্তম। এবং আপনার পালনকর্তা আপনাকে দিতে যাচ্ছেন, এবং আপনি সন্তুষ্ট হবেন।"
3. কৃতজ্ঞতা এবং সন্তুষ্টি: সূরাটি আল্লাহর বিধান এবং আশীর্বাদের সাথে কৃতজ্ঞতা এবং সন্তুষ্টিকে উত্সাহিত করে, এমনকি কঠিন ও কষ্টের সময়েও।
- আয়াত 6-7: "তিনি কি আপনাকে এতিম পাননি এবং [তোমাকে] আশ্রয় দেননি? এবং তিনি আপনাকে হারিয়েছেন এবং [আপনাকে] পথ দেখাননি।"
4. আশীর্বাদ ভাগ করে নেওয়ার নির্দেশ: সূরা আদ-দুহা বিশ্বাসীদেরকে তাদের আশীর্বাদগুলি অন্যদের সাথে ভাগ করে নেওয়ার নির্দেশ দেয়, বিশেষ করে যাদেরকে, আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা এবং আনুগত্যের অভিব্যক্তি হিসাবে।
- আয়াত 10: "এবং আবেদনকারীর জন্য, [তাকে] প্রতিহত করবেন না।"
5. আশা এবং আশাবাদ: সূরাটি বিশ্বাসীদের হৃদয়ে আশা ও আশাবাদ জাগিয়ে তোলে, তাদেরকে আল্লাহর ক্রমাগত যত্ন ও নির্দেশনার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
- আয়াত 8-9: "এবং তিনি আপনাকে দরিদ্র পেয়েছেন এবং [আপনাকে] স্বাবলম্বী করেছেন। সুতরাং এতিমের জন্য, [তার] প্রতি অত্যাচার করবেন না।"
সূরা আদ-দুহা বিশ্বাসীদেরকে কষ্টের সময়ে বিশ্বাস, ধৈর্য এবং কৃতজ্ঞতা বজায় রাখার গুরুত্ব শেখায়। এটি তাদের আল্লাহর অবিরাম উপস্থিতি, রহমত এবং আশীর্বাদ সম্পর্কে আশ্বস্ত করে, তাদের আদেশে আশাবাদী এবং সন্তুষ্ট থাকার আহ্বান জানায়। উপরন্তু, এটি অন্যদের সাহায্য করার এবং দয়া দেখানোর তাত্পর্যকে জোর দেয়, বিশেষ করে কম ভাগ্যবানদের প্রতি।